জামালপুর প্রতিনিধি ॥
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউপি নির্বাচনে বিশিষ্ট সমাজসেবক শীলা সারোয়ারকে নৌকার মাঝি হিসেবে পেতে চায় এলাকাবাসী। পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ শীলা সারোয়ারকে দলীয় প্রতীক দেয়া হলে এই ইউনিয়নে নৌকার জয় নিশ্চিত হবে বলে দাবি সাধারণ ভোটারদের। দীর্ঘ ১০ বছর পর বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ও সদর ইউনিয়নে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে ২৩ ডিসেম্বর। এই দুই ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী শিলা সারোয়ার।
জানা যায়,দীর্ঘ ১০ বছর পর বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ও সদর ইউনিয়নে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে ২৩ ডিসেম্বর। এই দুই ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী শিলা সারোয়ার। তিনি বাট্টাজোড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতীক গোলাম দস্তগীর গাজীর শ্যালকের স্ত্রী শিলা সারোয়ার নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দিনরাত মাঠে কাজ করছেন। উঠান বৈঠক,পথসভা, আলোচনা সভা ও গণসংযোগ অব্যহত রেখেছেন তিনি।
বাট্টাজোড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিলা সারোয়ার রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। দীর্ঘদিন যাবত এলাকায় সমাজসেবা ও উন্নয়ন মুলক কাজ করে আসছেন। ঐতিহ্যবাহী হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বাট্টাজোড় বীরগাওঁ সোনাইতুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতিও তিনি। এলাকায় বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী হিসেবেও বেশ সুনাম রয়েছে তার। বেশ কয়েকজন প্রার্থী আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও শীলা সারোয়ার ছাড়া মাঠে কারো সরব উপস্থিতি নেই। শীলাও মাঠে নেমেছেন কোমর বেঁধে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃতে সারাদেশে যে উন্নয়নে জোয়ার বইছে তা সাধারণ মানুষের মাঝে তুলে ধরছেন। বাট্টাজোড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে তিনিই হবেন নৌকার কান্ডারী এমটাই আলোচনা চলছে সর্বত্র। নৌকা পেলে জয় নিয়ে ঘরে ফিরবেন শীলা সারোয়ার এমনটাই ধারনা সাধারণ ভোটারদেরও।
চেয়ারম্যান প্রার্থী শীলা সারোয়ার বলেন, অর্থ বিত্তের প্রতি আমার কোন লোভ লালসা নেই। আমার একটাই লোভ মানুষের সেবা করা। আমি জানি মানব সেবাই পরম ধর্ম। আমি সব সময় অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। করোনা দূর্যোগে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌছেঁ দিয়েছি। দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে আসছি। দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকার সাধারণ মানুষ আমার সাথে আছেন। দল যদি সব কিছু বিবেচনা করে আমাকে মনোনয়ন দেয় আমার বিশ্বাস ইউনিয়নবাসী বিপুল ভোটে নৌকাকে জয় যুক্ত করবে। আসল কথা হচ্ছে আমি বাট্টাজোড় ইউনিয়ন বাসীর জন্য কিছু করতে চাই। তাদের শাসক নয়,সেবক হতে চাই। আমি হতদরিদ্র, গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো।
বাট্টাজোড় ইউপি নির্বাচনে সমাজসেবক শীলাকে নৌকার মাঝি হিসেবে চায় এলাকাবাসী


