এম এ ছালাম মাহমুদ ঃ
বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সফল সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয় সাহেব এর পিতা উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল হামিদ মেম্বার সাহেব এবং আমার পিতা ইজারাদার মরহুম ফজলুল হক একে অপরে কতটা আপন ছিলেন তা একমাত্র উপর আল্লাহ ভালো জানেন। একই বসতভিটাই ছিলেন আমার বাবার বসতবাড়ি। আজও আছি একই ভিটায়। তিনি ছিলেন একজন দায়ীত্ববান অভিভাবক মনের মানুষ।
সত্যিকারের বড় ভায়ের মতো করে আমার বাবাকে আগলে রাখতেন তিনি। আমার স্পষ্ট মনে আছে বাবা খুবই অসুস্থ সবাই বলছে এইবুঝি শেষ নিঃস্বাসটা ছাড়লেন। তখন দেখেছি মরহুম হামিদ জেঠা কারো কথায় হাল না ছেড়ে এম্বুলেন্স ডেকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য বাবাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। এরপর দীর্ঘ একমাসের চিকিৎসা শেষে বাবা সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে ফিরে এলেন এবং তার কয়েকদিন পরেই আকস্মিক ভাবেই সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রিয় অভিভাবক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ জেঠা। তার হঠাৎ চিরবিদায় শুধু পরিবারেই নয় শোকের ছায়া নেমে আসে বকশীগঞ্জের আওয়ামী রাজনীতিতে। নেতৃত্ব শুণ্যতায় ভোগতে থাকে নেতাকর্মীরা। তার মতো দরদী রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংগঠক, উদ্যোগক্তা ও সমাজসেবা করা মানুষ আজও এই সমাজে বিরল। শুধু তাই নয়,আওয়ামী রাজনীতিতে তিনি ছিলেন সিংহ পুরুষ। পৃথিবী থেকে চির বিদায় নেওয়া এমন মহৎকর্মের কবরবাসীকে আল্লাহ নিশ্চয় জান্নাত দান করবেন বলে আমার বিশ্বাস।
২৫ বছর আগে দুনিয়া থেকে চির বিদায় নিয়েছেন শ্রদ্ধেয় জেঠা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল হামিদ মেম্বার সাহেব। এবং তার এক বছর পরেই আমার বাবাও চলে যান না ফেরার দেশে। মহান আল্লাহর দরবারে আর্জি জানাই আল্লাতায়ালা যেন তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করে আমিন।


