সুমন ভৌমিকঃ করোনা প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে ময়মনসিংহসহ সারাদেশ প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় ঘরবন্দি দিন পার করছে মানুষ। এতে ভাসমান ছিন্নমুল, হতদরিদ্র, অসহায় ক্ষুধার্থ মানুষগুলোর খাবার বন্ধ হয়ে গেছে।
ময়মনসিংহ নগরের বিভিন্ন সড়কের ফুটপাতে, বাস টার্মিনালে ও রেলস্টেশনে অনেক ভাসমান মানুষ ঘুমিয়ে রাত্রি পার করে। এদের সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। এই সব ভবঘুরে কিংবা ভাসমান মানুষগুলো একবেলা-আধবেলা খেয়ে দিবা-রাত্রি পারি দেয়।
করোনা’র প্রভাবে ময়মনসিংহ নগর ফাঁকা হয়ে পড়ায় নিরিবিলি সময় পার করছে ভাসমান মানুষগুলো। বড়লোকরা বাহির হলে চেয়ে-মেগে কোন রকম একবেলা-আধবেলা খেতে পারতো। তবে এখন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে খাদ্যের অভাবে।
এই ভসমান মানুষদের চিন্তা করে ময়মনসিংহের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামন (পিপিএম-সেবা) বিশেষ উদ্যোগ নেন। তিনি রাত্রিকালে ভাসমান ছিন্নমুল, হতদরিদ্র, অসহায় ক্ষুধার্থ মানুষগুলোর মাঝে ১০০ প্যাকেট পুলিশের রান্না করা খাবার ৭ দিনের জন্য কার্যক্রম চালু করলেন।
৩১ মার্চ মঙ্গলবার ৮ ঘটিকায় পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান জেলা পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে ডিবি ওসি শাহ্ মোঃ কামাল আকন্দের তত্বাবধায়নে নগরীর বিভিন্ন সড়কের ফুটপাতে, বাস টার্মিনালে ও রেলস্টেশনে ভাসমান মানুষগুলোর মাঝে পুলিশের রান্না করা খাবার ১০০ প্যাকেট বিতরণ করেন। এই কার্যক্রম ৭ দিন চলবে।
রাত্রিকালে ভাসমান ছিন্নমুল, হতদরিদ্র, অসহায় ক্ষুধার্থ মানুষগুলোর মাঝে পুলিশের রান্না করা খাবার বিতরণ করার ফলে তাদের চোখে-মুখে হাসি ফুঁটে উঠে। এই ক্ষধার্থ মানুষগুলো জানতে পারে এই কার্যক্রম ৭ দিন চলবে। তখন তাদের মনে আশার সঞ্চার ঘটে। তারা বলতে থাকে “৭ দিনতো খাইতে পারমু”।


