সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা’র অফিসার ইনচার্জ শাহ্ মোঃ কামাল আকন্দ পিপিএম (বার) এর মেধায় গোয়েন্দা সংস্থাটি জেলায় ব্যাপক সুনাম বয়ে আনছে। মাদক ও অপরাধ বিরোধী অভিযানে ডিবি পুলিশ প্রশংসিত হচ্ছে ময়মনসিংহবাসীর কাছে বার বার। তিনি ডিবিতে অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর ময়মনসিংহের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম (বার)(অতিঃ ডিআইজি পদে পদোন্নতি) এর নির্দেশনায় জেলায় মাদক ও অপরাধ দমনে সাফলতা অর্জন করে চলেছেন। আর বিশেষ টহলের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার অপর নাম ডিবি ওসি শাহ্ কামাল। “শুধু নামেই নয়, গুনে তার পরিচয়” আর সেই গুনেই তিনি এবার নিয়ে ময়মনসিংহ রেঞ্জে ১৩ বার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।
শাহ কামাল অপরাধীদের কাছে এক আতংক হিসেবে পরিচিত। তিনি মাদক গডফাদার-বিক্রেতা-ক্রেতা, সন্ত্রাসী, চুরি-ডাকাতি, খুন-ধর্ষন এর মতো মারাত্মক অপরাধের ঘটনার সাথে জড়িত অসংখ্য অপরাধীকে সাহসিকতার সাথে গ্রেফতার করে পুলিশ বিভাগে দৃষ্টান্ত রেখেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় মাদক ও অপরাধ দমনে ডিবি পুলিশ ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। পুলিশ বিভাগে বিশেষ অবদান রাখায় উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে তিনি বার বার সুনজরে এসেছেন এবং সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে রেঞ্জে ১৩ বার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।
তিনি গত অক্টোবর/২০১৯ মাসে কোতোয়ারী থানা এলাকার পাটগুদাম ব্রীজ মোড়ে চাঞ্চল্যকর ট্রলি ব্যাগে অজ্ঞাত বিছিন্ন লাশের মামলার রহস্য উদঘাটন ও ৪ জন গ্রেফতার হয় ও ১টি ম্যাগাজিনসহ পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলিসহ ১টি পাইপগান, ৪টি দেশীয় অস্ত্র, ১০টি কার্তুজ ও ২০টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করেন এবং এনকাউন্টরে আন্তঃ জেলার ১জন ডাকাত নিহত হয়।
এছাড়া ৫৯৬৫ পিস ইয়াবা, ১৯০ গ্রাম হেরোইন, ১ কেজি গাঁজা, ১টি ট্রাক, জিডি মূলে ৫২টি মোবাইল সেট ও ২টি ল্যাপটপ উদ্ধার করে।
এছাড়াও গত মাসে ৪৩ টি মামলা রজু হয়, ৫৩ টি মামলা নিষ্পত্তি, ১২ টি পাবলিক পিটিশন নিষ্পত্তি, ৯৬ টি সিডিএমএস মামলা এন্ট্রি, ৩৫ নিবারণ মূলক গ্রেফতার, জিডি মূলে ৪ জন ভিকটিম উদ্ধার হয় এবং ডিবি’র আইটি এক্সপার্র্ট দ্বারা ১০টি ফেসবুক হ্যাক আইডি উদ্ধার ও ২৩টি বিকাশ প্রতারক সনাক্ত ও উদ্ধার হয়।


