সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কাঁঠালডাঙ্গি গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছিল। নিহত আবুল হাসেমের মেয়ে রোকসানা বেগম বাদী হয়ে ৩১ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে।
আলোচিত ট্রিপল মার্ডারটি দ্রুত তদন্তের স্বার্থে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। ময়মনসিংহের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ শাহ্ আবিদ হোসেন বিপিএম(বার) (অতিঃ ডিআইজি) এর নির্দেশনায় ডিবি ওসি শাহ্ মোঃ কামাল আকন্দ পিপিএম(বার) নড়েচড়ে বসেন এবং একটি ছক তৈরী করেন। সেই ছকে গত ১৮ আগষ্ট নান্দাইল থেকে আলোচিত ট্রিপল মার্ডার এর মূল আসামি আব্দুর রশিদ ধরা পড়ে ডিবি পুলিশের হাতে।
এরপর ডিবি ওসি শাহ কামাল ট্রিপল মার্ডার মামলার তদন্ত অফিসার ফারুক আহমেদকে নিয়ে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে বহুবার শলাপরামর্শ করেন। তদন্ত অফিসার ফারুক হোসেন প্রচুর মেধা খাটিয়ে ও পর্যাপ্ত সময় দিয়ে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে হত্যাকারীদের অবস্থান নিশ্চিত হয়। ডিবি ওসি শাহ কামাল এর নির্দেশে ফারুক হোসেন এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স গত ৯ নভেম্বর চট্টগ্রাাম জেলার ফটিকছড়ি থানা এলাকায় অভিযান চালায়। ফটিকছড়ির নাজিরহাট থেকে এজাহারভুক্ত আসামী আনিছুর রহমান (২২), জুয়েল (২৫), হাবিবুর রহমান (৩৫), মোছাঃ শরিফা (২৮) ও মোছাঃ হাওয়া বেগম (২০) সহ মোট ৫জন আসামী ডিবি পুলিশের জালে ধরা পড়ে। গ্রেফতারকৃতদের ১০.১১.১৯ রবিবার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে, এদের মধ্যে আসামী আনিছুর ও জুয়েল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
এছাড়া ডিবি পুলিশের এক অভিযানে এসআই আব্দুল জলিল এর সঙ্গীয় ফোর্স কোতোয়ালী এলাকার পাটগুদাম থেকে ১১০ পিস ইয়াবা সহ মাসুদ রানা নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
অপর অভিয়ানে তারাকান্দার কাকনীকোনা এলাকা থেকে এসআই সাইদুর রহমান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স ৩ জুয়ারিকে গ্রেফতার করে। তারা হলো মোশারফ হোসেন, হেলাল উদ্দিন ও ইদ্রিস আলী। মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়ারিদেরকে ১০.১১.১৯ রবিবার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।


