সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহবাসীর আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা করে নিয়েছে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থাটি। ইন্সপেক্টর শাহ্ মোঃ কামাল আকন্দ পিপিএম (বার) জেলা গোয়েন্দা সংস্থায় ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর মাদক ও অপরাধ দমনে সাফলতা পেয়েই যাচ্ছে।
মাদক ও অপরাধ বিরোধী অভিযানে ডিবি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করছে ময়মনসিংহবাসী। টহলের মাধ্যমে মাদক ও অপরাধ বিরোধী অভিযানের ফলে শহরবাসীর মাঝে সস্থি ফিরে এসেছে। ময়মনসিংহের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম (বার)(অতিঃ ডিআইজি পদে পদোন্নতি) এর নির্দেশনায় ডিবি ওসি শাহ্ কামাল আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখায় জনগন তার সুফল ভোগ করছে।
গত অক্টোবর/২০১৯ মাসে মাদক বিরোধী অভিযান ও অপরাধ দমনে প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিবি পুলিশ অগ্রনী ভূমিকায় অবর্তীণ হন। ডিবি ওসি শাহ মোঃ কামাল পিপিএম (বার) নেতৃত্বে গত মাসে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইয়াবাসহ মাদক উদ্ধার, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, জুয়ারী, অস্ত্রবাজ ও মাদকসেবীদের গ্রেফতার করে।
এছাড়াও কোতোয়ালী থানার চাঞ্চল্যকর ট্রলি ব্যাগে অজ্ঞাত লাশের মামলার রহস্য উদঘাটন করে ৪ জনকে গ্রেফতার করে এবং ১জন আন্তঃ জেলা ডাকাত ডিবি পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়।
গত মাসে ডিবি পুলিশ ১ কেজি গাজা, ১৯০ গ্রাম হেরোইন, ৫৯৬৫ পিস ইয়াবা, ম্যাগাজিনসহ ১টি পিস্তল, ৪টি দেশীয় অস্ত্র, ১টি পাইপগান, ৪ রাউন্ড গুলি, ১০টি কার্তুজ, ২০টি কার্তুজের খোসা ও ১টি ট্রাক উদ্ধার করে।
ইদানিং মোবাইল চোরদের দৌরাত্ব বেড়ে গেছে। কোতুয়ালী মডেল থানায় জিডি হচ্ছে প্রচুর। আর সেই মোবাইল উদ্ধারের দায়িত্ব ডিবি পুলিশের কাঁদেই পড়ছে বেশি। ডিবি ওসি শাহ্ কামাল এর বিচক্ষণতায় জিডি মূলে ৫২ টি চোরাই মোবাইল সেট উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ।
এছাড়া ২টি ল্যাপটপ, জিডি মূলে ৪ জন ভিকটিম, ১০টি ফেসবুক হ্যাক আইডি ও ২৩ জন বিকাশ প্রতারক সনাক্ত করে উদ্ধার করে।
এছাড়াও ৪৩ টি মামলা রুজু হয় ও নিষ্পত্তি হয় ৫৩ টি মামলা। পাবলিক পিটিশন নিষ্পত্তি ১২ টি, সিডিএমএস মামলা এন্ট্রি ৯৬ টি ও নিবারণ মূলক গ্রেফতার হয় ৩৫ জন।


