সুমন ভৌমিকঃ দৈনিক উর্মিবাংলা প্রতিদিন-এ ময়মনসিংহে অবৈধ মদ বিক্রি নিয়ে রিপোর্ট হওয়ায় আইন-প্রয়োকারী সংস্থার চাপে ময়মনসিংহ সদরের একমাত্র দেশীয় বাংলা মদের ডিলার কর্তৃক পতিতাপল্লীর কালোবাজারী হকাররা মদ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। সেই কালোবাজারী হকাররা আবারও মদ বিক্রি করে যাচ্ছে। পতিতাপল্লীর ভিতর থেকে দুই গেইট দিয়ে শহরে সরবরাহ হচ্ছে দেশীয় মদ। খুব সতর্কতার সাথে মদ বিক্রি করতে হয় বলে সেবনকারীদের কাছ থেকে নিচ্ছে ডাবল দাম। জনশ্রুতি রয়েছে, পুলিশ আন্তরিক না হলে অবৈধ মদ বিক্রি কখনো বন্ধ হবে না!
জানা যায়, মরহুম নূরুল ইসলাম হিরো মিয়ার মেয়ের নামে ময়মনসিংহ সদরে একটি মাত্র লাইসেন্স রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন তার মদের ঘরে বসার কথা থাকলেও তিনি বসেন না। এছাড়াও যারা মদ পান করে না এমন ব্যক্তিদের নামেও পারমিট রয়েছে। শুধু তাই নয় অনেকে মদ না তুলে নিলেও রির্টান খাতায় তাদের নামে মদ ডেলিভারী দেখানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, ডিপো থেকে মদ এনেই তার কোয়ালেটির পরিবর্তন করা হয়। মিশানো হয় পানি।
সুত্র জানিয়েছে, সংবাদ প্রকাশের পর কালোবাজারে মদ বিক্রি বন্ধ হলে মদের চালানেও ধ্বস নামে। চালান অর্ধেকে এসে যায়। এটা ফের বৃদ্ধি পেয়েছে।
সুত্রমতে, পতিতাপল্লীর ৪২ জন হকারদের মদ সরবরাহ করে থাকেন এই দেশীয় মদের ডিলার! পতিতাপল্লীর প্রায় প্রতিটি ঘর ও দোকান থেকে সব সময় বিক্রি হয় দেশীয় মদ। এখান থেকে দেশীয় মদ ছড়িয়ে যায় সারা শহরে। অথচ ডিলার এর দোকানে সব কাগজপত্র ঠিকঠাক। কৌশলগত ভাবে মাদক পাচার হয় ডিলার থেকে হকার। আর হকার থেকে সারা শহরে। আর সারা শহর জুড়ে বেড়ে যায় মাতালদের উৎপাত। বিভিন্ন সময়ে পতিতাপল্লীতে হকার কর্তৃক মদ বিক্রি বন্ধ করেছিল পুলিশ প্রশাসন। শুধু পতিতাপল্লীই নয়, সারা শহর ছিলো শান্তিময়। পথযাত্রীদের শুনতে হয়নি গালাগালি, দেখতে হয়নি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গী।
হকার কর্তৃক মদ বিক্রি হওয়ায় শহরে আবারো শুরু হয়েছে মাতালদের অত্যাচার। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় দেশীয় মদের ডিলার কৌশলগত কারণে কালো বাজারে মদ বিক্রির ভিন্ন কৌশল নিয়েছেন।


