সুমন ভৌমিকঃ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাথে ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের বন্ধুকযুদ্ধ হয়। এতে মোঃ মোতালেব নামে ডাকাত দলের এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। নিহত ডাকাত গফরগাঁওয়ের ছয়ানী রসুলপুর গ্রামের কেতু শেখ ওরফে আঃ গফুরের ছেলে বলে জানা গেছে।
বন্ধুকযুদ্ধের ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার রাত ১টা ৩০মিনিটে গফরগাঁও এর রসুলপুর সড়কে। এ সময় এক পুলিশ সদস্য আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে ডিবি পুলিশ উদ্ধার করে ১টি পাইপগান, ১০ টি শর্টগানের কার্তুজ ও ২০ টি শর্টগানের কার্তুজের খোসা।
জেলা গোয়েন্দা সংস্থার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ জানান, মাদক বিরোধী ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার জন্য ডিবি’র দুইটি টিম বৃহস্পতিবার রাতে গফরগাঁও অবস্থান করে। এ সময় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, রসুলপুর সড়কে আন্তঃজেলার ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ সংবাদে ডিবি পুলিশও পাল্টা ব্যবস্থা নেয়।
ঘটনার বিবরণ- গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের দুইটি টিম আলাদা ভাবে ঘটনাস্থলে পৌছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দল পুলিশকে লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়তে থাকে। পুলিশ সরকারী সম্পদ ও আত্মরক্ষার্থে শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে এবং ডাকতদের গুলিতে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়। এক পর্যায়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দল পালিয়ে যায় ও ঘটনাস্থলে মোঃ মোতালেব (৪২) ডাকাতকে আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, পলাতক ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে আহত হয় ডাকাত মোতালেব ও তার কাছ থেকে ১টি পাইপগান, ১০ রাউন্ড গুলি এবং ঘটনাস্থল থেকে ২০ টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়।
গফরগাঁও থানা পুলিশের সহায়তায় আহত ডাকাত মোতালেকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে, কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এছাড়া আহত ডিবি পুলিশ এসআই আকরাম হোসেনকে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ডাকাত মোতালেব সংঘবদ্ধ হয়ে গফরগাও অঞ্চলে দীর্ঘদিন যাবত যাত্রাবাহী যানবাহন, অটো, সিএনজি, মোটরসাইকেল, ভ্যান ও রিক্সার পথ অবরোধ করে ডাকাতি করে আসছিল । তার বিরুদ্ধে ৫ এর অধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।


