বদরুল আমীনঃ কুমিল্লা জেলাকে কাঁপিয়ে যে অফিসারটি আজ ময়মনসিংহে অপরাধীকে দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থার অফিসার ইনচার্জ শাহ মোঃ কামাল আকন্দ পিপিএম (বার)। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম (বার) নির্দেশনায় সর্বদা অগ্রনী ভূমিকা পালনে ব্যস্ত থাকেন। জেলার অপরাধীরা জ্বলন্ত আতংক হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। ময়মনসিংহে সর্বত্র অভিযান পরিচালনা করে মাদক ও অপরাধ নির্মূল্যে বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন এই আফিসার। তিনি মাদক গডফাদার-বিক্রেতা-ক্রেতা, সন্ত্রাসী, চুরি-ডাকাতি, খুন-ধর্ষন এর মতো মারাত্মক অপরাধের ঘটনার সাথে জড়িত অসংখ্য সঙ্গবদ্ধ অপরাধী চক্রকে সাহসিকতার সাথে গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ জেলায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। মাদককে সবসময় জিরো টলারেন্স রাখার চেষ্ঠা করেন। তার পরিচালনায় মাদক বিরোধী অভিযানে প্রতিটি ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। পুলিশ বিভাগে বিশেষ অবদান রাখায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষ শাহ কামালকে খুবই পছন্দ করেন এবং সাফল্যের স্বীকৃতি হিসাবে বার বার পেয়ে যাচ্ছেন রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পদক।
ময়মনসিংহ জেলা ও রেঞ্জে বার বার শ্রেষ্ঠ পদক অধিকারী ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দের টিমের সাথে গত সেপ্টেম্বর মাসে ৪ মাদক ব্যবসায়ী ও আন্তঃজেলা অটো চোর সিন্ডিকেটের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী ও আন্তঃজেলা অটো চোর চক্রের সদস্যসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২টি পাইপাগন, ১টি কার্তুজ ও ৪টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার হয়।
অপরদিকে ৬ হাজার ৩০৯ পিচ ইয়াবা, ৮১২ গ্রাম হেরোইন, ৭০ বোতল ভেজাল ঔষধ, ২০০ গ্রাম গাঁজা ২টি চোরাই মোটর সাইকেল, ৪টি চোরাই অটোরিক্সা, জিডি মূলে ২৬ টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। এছাড়া গত সেপ্টেম্বর মাসে মাদক ও সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৬৩টি মামলা দায়ের হয় ও ৪২টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয় এবং পাবলিক পিটিশন নিষ্পত্তি হয় ১৩টি। ১৩০টি সিডিএমএস মামলা এন্ট্রি করা হয়। এছাড়াও ১১জুয়ারি গ্রেফতার ও নিবারণ মূলক কাজে ৩৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। জিডি মূলে সাত ভিকটিমকে দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্ধার ও ৮টি ফেসবুক হ্যাক আইডি উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ।
ময়মনসিংহের ডিবি ওসি শাহ কামাল রেঞ্জে আবারও শ্রেষ্ঠ


