মাসুদ রানা ॥
জামালপুরের বকশীগঞ্জে সড়কের দুই পাশে লাগানো হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির ৫ শতাধিক গাছ। মেরুরচর ইউপি চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক নিজস্ব অর্থায়নে এসব গাছের চারা রোপন করছেন। শনিবার জব্বারগঞ্জ-মেরুরচর নতুন সড়কে আনুষ্ঠানিকভাবে চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান। উদ্বোধন কালে বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন লাজু, ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ও যুবলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম বানু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়,উপজেলার জব্বারগঞ্জ ব্রীজের পশ্চিম পাশ থেকে চিনারচর পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার নতুন সড়ক নির্মিত হয়েছে। গত কয়েকদিন আগে সড়কটির উদ্বোধন করেন সাবেক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ এমপি। নদীরপাড় ঘেষেঁ নির্মিত সড়কটি নির্মান হওয়ায় বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের দূর্ভোগ লাঘব হয়েছে। কিন্তু নদীর পাড়ঘেষেঁ হওয়ায় বন্যার সময় সড়কটি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সড়কটি যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এবং সৌর্ন্দয্য বর্ধনের জন্য সড়কের দুই পাশে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান। আম,জাম,কাঠাঁল, মেহগনি, ইউক্যালিপটাস, আকাশমনি, কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, অর্জুন, বহেড়া, হরীতকী, নিম, আমলকী ও বজ্রনিরোধক তাল গাছের চারা রোপন করা হচ্ছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে গাছ লাগানো শেষ হবে। এই গাছগুলো যাতে গরু ছাগল নষ্ট না করে, নিরাপদে বেড়ে ওঠে এ জন্য লাগানো হচ্ছে বাঁশের তৈরি ঝুপড়ি।
মেরুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বলেন,সড়কটি নবনির্মিত। নদীর তীরবর্তী হওয়ায় বন্যার সময় ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। তাই ভবিষ্যত ভাঙ্গন রোধে সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন জাতের গাছ রোপন করা হচ্ছে। গাছগুলো রক্ষা করতে ঝুপড়ি দেওয়া ছাড়াও পাহারাদার নিয়োগ দেওয়া হবে।
চেয়ারম্যান আরো বলেন,পরিবেশ রক্ষায় গাছের অবদান অপরিসীম। আমরা এক সময় থাকবো না কিন্তু গাছ গুলো থাকবে। তখন মানুষ হয়তো আমাদের কথা মনে করবে।


