জামালপুর বকশীগঞ্জে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বকশীগঞ্জ উপজেলা শাখা।
শনিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী জানান উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শ্রী নেপাল চন্দ্র সাহা। তিনি বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং পুলিশ মুল আসামীদের গ্রেফতার করতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নেপাল চন্দ্র বলেন, দ্রুত গ্রেফতার করুন অন্যত্থায় বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে যুবলীগ।
আসামীরা বিগত দিনেও বকশিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের দলীয় কার্যালয়ের ছবি ভাংচুর করে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ছাত্রলীগের ঐ নেতাই ২০১৯ সনে বকশিগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে কলেজের অধ্যক্ষকে দায়ী করা হয়েছিল। একই কায়দায় উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গত ১২ জুলাই ২০২০ তারিখে জাতির জনক ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করে পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। এই ঘটনায় আমরা একটি ১১ সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইত্যিমধ্যেই ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে। খুব কম সময়ের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট ও প্রকাশ করা হবে। তবে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করেনি উপজেলা যুবলীগ।
তিনি আরও বলেন, বকশীগঞ্জ পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম সওদাগরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী ছবি ভাঙচুর দায়ের মামলার গ্রেফতার পৌর যুবলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক আতিক সিদ্দিকীকে সাময়িক বহিস্কারের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই যুবলীগ থেকে আতিক সিদ্দিকীকে বহিস্কার করা হবে।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১২ তারিখে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জুমান তালুকদারের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ও প্রধানমন্ত্রী ছবি নিজেরাই ভাঙচুর করে পৌর যুবলীগের আহবায়ক ও বকশীগঞ্জ পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয় । পরে নজরুর ইসলাম সওদাগর বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা করলে আতিক সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করে পুলিশ । এ মামলার ১নং আসামী মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাসুমা ইয়াসমিন স্মৃতি ও ২নং আসামী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জুমান তালুকদার সহ অন্য আসামীরা পলাতক রয়েছে।


