রাইসুল ইসলাম ফুল।। কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে বন্যার পানি তলিয়ে যাচ্ছে উপজেলা হাট ও ঘাট। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানাবর্ষণে ব্রহ্মপুত্র, সোনা ভোরি ও জিঞ্জিরামের নদীতে পানি বিপদসীমার উপরে। ইতিমধ্যে কিছুদিন আগে বন্যা হয়ে চলে গেলেও। উত্তর অঞ্চলে আবার প্রবল হারে বাড়তে শুরু করেছে দ্বিতীয় ধাপে বন্যার পানি। বন্যার পানিতে গৃহবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার, সেই সাথে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৪-৭-২০২০ মঙ্গলবার উপজেলা প্রাঙ্গণে, শিশু পার্ক, বিভিন্ন স্কুল কলেজ, ও রাস্তা, হাট, ঘাট বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। নিম্ন অঞ্চল গুলো প্লাবিত হওয়ায় বিশেষ করে কোদালকাটি ইউনিয়ন ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের মানুষ খুব কষ্টে জীবন যাপন করছে। রাজিবপুর উপজেলার প্রায় ৭০ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। রাজিবপুর রৌমারী উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের লাখ, লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
রাজীবপুর বন্যার অবনতি চরম দূর্ভোগে মানুষ
বন্যার পানি বাড়তে শুরু করায় রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের পশ্চিম পাশে গ্রামগুলোতে প্রচুর নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
রৌমারী বন্ধবেড় বেড়িবাঁধ হুমকির মুখে রয়েছে। এ বাঁধ ভেঙ্গে গেলে রৌমারী উপজেলা শহর পানিতে ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এবং রাজিবপুর টু জামালপুর মহাসড়ক চরম হুমকির মধ্যে রয়েছে যেকোনো সময় মহাসড়ক টি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজীবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন (হিরো)
ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নবিরুল ইসলাম জানান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।


