মতিন রহমান।। জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভা কার্যালয় ও বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদ সাতদিনের জন্য বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। পৌরসভা কার্যালয়ের সচিবসহ দু্ইজন কর্মচারীর করোনা পজিটিভ হওয়ায় বুধবার সকাল থেকে পৌরভবন ও একই ভবনে বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় থাকায় সাত দিনের জন্য বন্ধ থাকছে।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ.স.ম জামশেদ খোন্দকার।
বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাসিক সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ স ম জামশেদ খোন্দকার, পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রতাপ নন্দী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম সম্রাট, বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এলবাট মিয়াসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রতাপ নন্দী জানান, বকশীগঞ্জ পৌরসভার একজন নারী কর্মচারীর স্বামী দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত হন। ওই নারী কর্মচারীকে সম্ভাব্য করোনার রোগী ধরে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করে গত ৩ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে ওই নারী কর্মচারীসহ ১৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তাদের মধ্যে পৌরসভার সচিব, একজন অফিস সহায়ক করোনা পজিটিভ ফল আসে। তবে পৌরসভার ওই নারী কর্মচারীর নমুনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসে। বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যসহ সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ.স.ম জামশেদ খোন্দকার বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধ করার জন্য বকশীগঞ্জ পৌরসভা ও বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম সাত দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সাথে নমুনা পরীক্ষা বাকি থাকা এ দুটি প্রতিষ্ঠানের সকল জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা শেষে ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম চালু করার বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


