Tuesday, October 27, 2026

তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের প্রিয়ভাজন মুকুল সম্পর্কে কিছু কথা

Must read

রবিউল ইসলাম, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ শাখাওয়াত আলম মুকুল।সরিষাবাড়ীর গণমানুষ এর কাছে অতি পরিচিত নাম। এই গণমানুষ নেতাকে সরিষাবাড়ীর দিনমজুর, রিকসাওয়ালা, শ্রমজীবি, কৃষক, সাংবাদিক, প্রশাসনসহ  সকলেই কাছে খুবই সন্মানীত ব্যক্তি।তিনি বর্তমানে  বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদ হাসান এমপি’র প্রিয়ভাজন। কিছু আলোচনা সমালোচনা থাকলেও সরিষাবাড়িতে তিনি ভাল কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি সরিষাবাড়ীর একজন নাগরিক হিসেবে আমি তার বিষয়ে তুলে ধরেছি মাএ।

২০০১ সালে তিনি প্রথম রাজনীতিতে পদচারণা করেন। পরবর্তীতে ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত পৌর ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ২০০৩ সালের ১৭ই মার্চ বর্তমান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে আওয়ামী লীগের “স্বাধীনতার ডাক” নামে লিফলেট বিতরণ করলে তৎকালীন বি.এন.পি-জামাত দ্বারা লাঞ্চিত হন। পরবর্তীতে ২৬মার্চ তার বাড়ীতে হামলা করা হয় এবং শর্ত দেয়া হয় যে পর্যন্ত তিনি সরিষাবাড়ী ত্যাগ না করবেন ততক্ষন পর্যন্ত তার উপর নির্যাতন চালিয়ে যাওয়া হবে।

দল হিসেবে আওয়ামী লীগ করার কারনে আরও বিভিন্ন সময় তিনি নির্যাতনের শিকার হন। তুপের মুখে জীবন বাঁচাতে তিনি নিজ বাড়ী হতে কয়েকদিন গাঁ ঢাকা দিয়েছিলেন। পরে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি উপজেলা যুবলীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানেও তিনি উপজেলা যুবলীগের সদস্য হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। নিজ দলের প্রতি দায়িত্বশীলতা, ত্যাগ, ধৈর্য ও নিষ্ঠার জন্য বর্তমানে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রিয়ভাজন হিসেবে সক্রিয়ভাবে প্রতিটি কাজে অংশগ্রহষ করে যাচ্ছেন।

গুরুত্বপূর্ণ কথা হল একজন প্রতিমন্ত্রীর প্রিয়ভাজন বলতে আমরা কি বুঝি ? নিশ্চয় প্রতিমন্ত্রীর একেবারের কাছের লোক। আমরা মনে করে থাকি, তাকে ধরতে পারলে অথবা হাত করতে পারলেই হয়ত কাজটা হয়ে যাবে। আর এ জন্য আমরা মনে করে থাকি তাকে টাকা দিয়ে হাত করে নিজের কাজ হাসিল করে নেয়া। কিন্তু শাখাওয়াত আলম মুকুল সম্পর্কে জানা যায়, তিনি কারও নিকট হতে অর্থ নিয়ে কাজ করেছেন এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রতিমন্ত্রী’র খুব কাছের লোক হয়েও অবৈধ টাকা গ্রহণ করেছে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে কারও নিকট হতে লাখ লাখ টাকা নিয়ে পিছু পিছু ঘুরানোর কোনো নজিরও পাওয়া যায়নি।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে কি করার কথা ছিল ?  প্রতিমন্ত্রীর দেয়া বিভিন্ন অনুদান পেছনের পথ দিয়ে নিজের করে নেওয়া। আর এভাবে অল্প দিনের মধ্যে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়া। কিন্তু না, এমন কাজের কোনো তথ্য মিলেনি। যতটুকু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সাধারণ জীবন যাপনই করে যাচ্ছেন তিনি।

সরকার হতে প্রতিমন্ত্রী হয়ে আসা বিভিন্ন অনুদান প্রতিমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ঠিকঠাক জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়া বা বিতরণ করতে দেখা গেছে তাকে। সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুন্ন না হয় সে জন্য অজপাড়া গাঁ থেকে শুরু করে প্রশাসন পর্যন্ত ছুটাছুটি করতে দেখা গেছে তাকে।

একজন এমপি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মাত্র অল্প কয়েকদিনের মধ্যে জনগণের অনেকটাই আশা ভরশার আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিণত হয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা: মুরাদ হাসান, এমপি। প্রতিমন্ত্রী’র প্রতিটি কাজে একজন কর্মী হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী’র প্রিয়ভাজন মুকুল। আর তাই অনেক চা এর দোকানে আবাল বৃদ্ধা বণিতা থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবি মহল পর্যন্ত আলোচনা করতে দেখা গেছে মুকুল এর সকল কাজের সফলতার বিষয়ে ।

রাজনীতির বিষয়ে বিবেচনায়  দু-একজনের মধ্যে মতের ভিন্নতা দেখা দিলেও সাধারণ জনগণের  দাবি পূরণ করে যাচ্ছেন। শাখাওয়াত আলম মুকুল অতীত-বর্তমানের মত ভবিষ্যতেও সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদ হাসান এমপি’র নির্দেশে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাবেন সরিষাবাড়ি জনগণের একমাত্র প্রত্যাশা।

 

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

Latest article