সুমন ভৌমিকঃ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি’র নির্দেশে ও ময়মনসিংহ পুলিশ সুপারের সহযোগিতায় ময়মনসিংহে অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন পুলিশ।
ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি হারুন অর রশিদ (বিপিএম-সেবা) এর মানবিক মূল্যবোধ, প্রজ্ঞা ও কল্যাণকর উদ্যোগের মাধ্যমে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান (পিপিএম-সেবা) এর মানবিক সুচিন্তা ও মানবিক সাহায্যে রেঞ্জ ও জেলায় মানবিক পুলিশ হিসেবে সকলের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। আর এই মানবতার জন্য করোনা মহামারি সময়ে পুলিশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হয়েছে। রেঞ্জ ও জেলা পুলিশ জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে রাখছেন দৃষ্টান্ত।
রেঞ্জ ডিআইজি হারুন অর রশিদ একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন এই ক্রান্তিকাল মহামারি সময়ে। পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান করোনা মোকাবিলায় গুরুদায়িত্ব পালনে সাফল্যের স্বীকৃতি ছাড়াও জনকল্যাণে চিন্তা-ভাবনা ও অনবদ্য ভূমিকায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ পেয়েছে খ্যাতি। অসহায়, ছিন্নমূল ও দরিদ্রগোষ্টি মানুষদের আহার দিয়ে পুলিশ জনমনে হয়েছে প্রশংসিত। পুলিশও মানবতার স্বার্থে কার্যকর ভূমিকায় অবদান রাখতে পারে তার প্রমাণ মিলে এই মহামারি সময়ে রেঞ্জ ও জেলা পুলিশের ব্যতিক্রমধর্মী সাহায্য-সহযোগিতার কার্যক্রমে।
ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি হারুন অর রশিদ এর নির্দেশে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান এর সহযোগিতায় ময়মনসিংহে মানবিক কাজে নজর কেড়েছে জেলা গোয়েন্দা সংস্থা। উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে ডিবি ওসি শাহ মোঃ কামাল আকন্দ (পিপিএম-বার) করোনাভাইরাস এর বিরুদ্ধে তার দক্ষ গোয়েন্দা টিম নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।
রেঞ্জ ও জেলার উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে শাহ মোঃ কামাল আকন্দের স্বকীয় প্রচেষ্টায় তার দক্ষ গোয়েন্দা টিম সম্পর্কে সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টে দিয়েছেন। ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’ এই প্রবাদের সার্থকতাকে তিনি শতভাগ প্রতিপন্ন করেছেন তার মানবিক ভূমিকায়। পুলিশ শুধু লাঠি চার্জ করে না কিংবা টিয়ার সেল মারে না, পুলিশ কর্মহীন, দুস্থ, অসহায় ও ভাসমানদের খাবারও দেয়।
গ্রহণযোগ্যতায় বহুবার সেরা ডিবি ওসি শাহ মোঃ কামাল পেশাদার এর পাশাপাশি মানবিক কাজগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে এবং মানবিক কাজে নজর কেড়েছে। যাহা সম্ভব হয়েছে রেঞ্জ ডিআইজি হারুন অর রশিদের সুদক্ষ চিন্তা-ভাবনা ও পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান এর সার্বিক সহযোগিতায়।
ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থার মানবিক কাজগুলো হল-
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ঘরে থেকে পৃথিবীর মানুষ প্রতিরোধ যুদ্ধে নেমেছে। ময়মনসিংহে মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তারা নিজেদের পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুঃসময় পার করছে। দেখা দিয়েছে খাদ্যের সঙ্কট। রেঞ্জ ও জেলার পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে ডিবি ওসি শাহ কামাল জনসন্মুখে থেকে তার গোয়েন্দা টিম নিয়ে রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ করেন এবং বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন।
এছাড়া রেঞ্জ ও জেলার পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে শাহ কামালের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ সহস্রাধিক বেদে, বস্তিবাসী, মাঝি, জেলে, রংমিস্ত্রি, রিক্সা মিস্ত্রি, নরসুন্দর, হকার, প্রতিবন্ধি, বিধবা, চা দোকানদার, অসহায় মানুষ ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ করেন।
পূর্বে অঘোষিত লকডাউন এর ফলে নগরীর ফুটপাতে থাকা দুস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষদের খাবারের সঙ্কট দেখা দেয়ায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শাহ মোঃ কামাল আকন্দ তার গোয়েন্দা টিমের বেতনের টাকা থেকে খাবার বানিয়ে ৭ দিনে হাজারো মানুষকে রাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দেন।
এছাড়াও শাহ কামাল ফেইসবুকে সড়ক দুর্ঘটনায় পঙ্গু ৬ সদস্য মানবেতর জীবনযাপন করছে জেনে তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন এবং অসহায় পরিবারদের খুঁজে বের করে ১০ দিনের খাদ্যসমগ্রী তুলে দেন। এতিমখানার ৪৮ শিক্ষার্থীকে শাহ কামাল ডিবি পুলিশের মাধ্যমে ১০ দিনের খাদ্যসামগ্রী সহযোগিতার স্বরুপ এতিমদের হাতে তুলে দেন। তিনি মধ্যবিত্ত পরিবারদের গোপনে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
ডিবির ওসি শাহ মোঃ কামাল আকন্দ প্রতিবেদনকে জানান, ময়মনসিংহ রেঞ্জের সুযোগ্য ডিআইজি হারুন অর রশিদ (বিপিএম-সেবা) এর নির্দেশনায় ও জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান (পিপিএম-সেবা) এর উদ্যোগে ও সার্বিক সহযোগিতার ফলে ডিবি পুলিশের টিম করোনার প্রাদুর্ভাবে সৃষ্ট সঙ্কটে মানবিক সাহায্য চালিয়ে যাচ্ছে।
ডিবি ওসি শাহ মোঃ কামাল লকডাউনে মানুষজনকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, আপনারা ঘরে থাকুন পুলিশ প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে। যে কোন সমস্যা অথবা খাবাবের সঙ্কট হলে পুলিশ প্রশাসনকে জানান। খাবাবের সঙ্কট পুলিশকে জানালে, পুলিশ আপনার ঘরেই খাবার পৌঁছে দিবে।
ডিবির ওসি জানান, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ডিবি টিমের মাধ্যমে বাজারের দোকান ও ঔধষের দোকানগুলোর সামনে সাদা ও লাল রং দিয়ে বৃত্ত এঁকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। করোনা প্রতিরোধে গ্রাম-গঞ্জে ও নগরে মাইকিং করে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। লকডাউনে ঘর থেকে মানুষ বের না হয়, ডিবি পুলিশের টহলের মাধ্যমে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। বিকাল ৬ টার পর মার্কেটের বিপনীগুলো বন্ধ রাখছে কিনা সেদিকে দৃষ্টি রাখা হচ্ছে ডিবি পুলিশের টহলের মাধ্যমে। এছাড়া উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে করোনার বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ডিবি পুলিশ। অসহায় মানুষদের পাশে সব সময়ের মত জেলা পুলিশ পাশে আছে।
এসময় ডিবির ওসি বলেন, ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি হারুন অর রশিদ এর মানবিক মূল্যবোধ, প্রজ্ঞা ও কল্যাণকর উদ্যোগ ও ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামানের মানবিক সুচিন্তা ও মানবিক সাহায্য, সহযোগিতায় জেলা গোয়েন্দা সংস্থা খাদ্যসামগ্রী ও খাবার বিতরণ অব্যাহত রেখেছে। তিনি লকডাউন সফল করতে ময়মনসিংহবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।


