সুমন ভৌমিকঃ ২৫ ডিসেম্বর রাত ১২টার পর থেকেই গোটা বিশ্ব মেতে উঠে ক্রিসমাস পালনে। এদিনটিকে যিশু খৃস্টের জন্মদিন হিসেবে মেনেই পালন করা হয়। সাজানো হয় ক্রিসমাস ট্রি, কেক-উপহার আর শুভ কামনায় মেতে ওঠেন সবাই।
চতুর্থ শতাব্দীতে প্রথম ক্রিসমাস পালন করা শুরু হয়। যিশুর জন্ম এবং মৃত্যুর কয়েকশো বছর কেটে যাওয়ার পর ২৫ ডিসেম্বর তাঁর জন্মদিন হিসেবে পালন করা শুরু হয়। যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন হলো বড়দিন।
২৫ ডিসেম্বর বুধবার ময়মনসিংহে খ্রিষ্টীয় উপাসনালয়ে খ্রীষ্টিয়ান ধর্মাবলম্বীরা যথাযথ মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভির্যভাবে বড়দিন পালন করে। এ উপলক্ষে প্রভূ যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিনে ধর্মীয় গান পরিবেশন ও যিশুর গুণকীর্তন সহ তাঁর জীবনী সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িকতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ এ শ্লোগানকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁরই ধারাবাহিকতায় প্রতিবেশী হিসেবে স্ব-প্রণোদিত হয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করে সবাই।
খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। ময়মনসিংহ নগরের ভাটিকাশরে ক্যাথেড্রাল গির্জা হাউস উপাসনালয়ে প্রার্থনার মধ্যদিয়ে বড়দিন উৎসব শুরু হয়। প্রার্থনা পরিচালনা করেন বৃহত্তর ময়মনসিংহের খ্রীষ্টিয়ান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগুরু বিশপ পল পনেন কুবি। প্রার্থনায় বিশ্ব জাতির মঙ্গল আর শান্তি কামনা করা হয়। ময়মনসিংহ সহ সারাদেশে বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বড়দিন। জমকালো আলোকসজ্জায় রাঙিয়ে তোলা হয়েছে চারদিক।
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ শাহ আবিদ হোসেন, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান র্যাব-১৪ মেজর শিবলি সাদিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কোতোয়ালী মডেল সার্কেল) আল আমিন, কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা সংস্থার অফিসার ইনচার্জ শাহ্ মোঃ কামাল আকন্দ, বিদেশী নাগরিক সহ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা বড়দিনে অংশগ্রহণ করেন।
দিবসটি উপলক্ষে ময়মনসিংহের বিভিন্ন উপাসনালয়, গির্জা এবং বড়দিন উদযাপন অনুষ্ঠানস্থলগুলোতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।


