স্টাফ রিপোর্টারঃ শত অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু ময়মনসিংহের প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত পতিতাপল্লীর ৪২ হকারের দেশীয় মদ বিক্রি প্রসঙ্গে স্থানীয় দুটি কাগজে সংবাদ প্রকাশের পর মদ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। গত বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন ভাবে দেশীয় মদ সংগ্রহ করে তা পতিতাপল্লীর হকারগণ পতিতাপল্লীসহ সারা শহরে বিক্রী করে আসছিল। স্থানীয় র্যাব গত দুসপ্তাহে ৫ জনকে ম্দসহ আটক করার পর স্থানীয় কাগজে বিস্থারিত সংবাদ প্রকাশ পায়।
সূত্র জানিয়েছে, পতিতা পল্লীতে একটি দেশীয় মদের দোকান রয়েছে। পাশাপাশি ৪২ জন হকার বিভিন্ন ভাবে মদ সংগ্রহ করে পতিতাপল্লীসহ কর্মচারী রেখে সারা শহরে মদ সরবরাহ করে আসছিল। এ সব মদব্যবসায়ী বিভিন্ন কৌশলে মদ সারা শহরে ছড়িয়ে দিত। হেরোইন, ইয়াবা ও মদ্য পানের মধ্য দিয়ে সারা শহর ছড়িয়ে যেত অপরাধীরা। ফলে শহরে চুরি ছিনতাই বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন বাসা বাড়িতে গ্রীল ভেঙ্গে মারাতœক ধরনের বহু চুরির ঘটনা ঘটেছে। পতিতাপল্লীতে আসা যাওয়া রয়েছে ভয়ংকর সন্ত্রাসী ছাড়াও দাগী চোর ডাকাতের। মাতালরা প্রতিনিয়ত এখানে অঘটন ঘটায়। পুলিশের নামে ৪২ মদের দোকান থেকে টাকা তোলেন আসলাম। তারও মদের ব্যবসা রয়েছে। তার নামে আছে নারী নির্যাতন মামলাও। সূত্রমতে, আসলামের টাকা হাত বদল হয়ে জমা হয় মদ ব্যবসায়ী মুস্তুর কাছে। পরে এ টাকা চলে যায় বিভিন্ন দপ্তরে। মাসে প্রায় ৪ লাখ টাকা আদায় করা হয় ৪২ জন মদ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে।
পতিতাপল্লীর মদ ব্যবসায়ীদের টাকা যায় কতিপয় সাংবাদিক ও প্রশাসনের কতিপয় ব্যক্তির পকেটে বলে জানা গেছে। সংবাদ প্রকাশের পর তারা চটে গেছে। তারা সাফাই গাইবে পতিতাপল্লীতে মদ বিক্রী হয় না। কিংবা রাজস্বের ঘাটতি হচ্ছে। এমন সব পরিকল্পনা নিয়ে মস্তু এগিয়ে চলেছেন। অপর দিকে কতিপয় ব্যক্তি ও কতিপয় সাংবাদকি মদ ব্যবসায়ীদের আশ্বস্থ করছেন “রবিবার থেকে মদের দোকান ফের চালু হবে”।


