টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর পানি কমলেও বাকি নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এরফলে এখনো পানির নীচে রয়েছে রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি।
শনিবার (২০ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি কমে বিপদসীমার ৯৪ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে ধলেশ্বরী নদীর পানি ১০ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে ১৪০ সে.মি. এবং ঝিনাই নদীর পানি ৬ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৮৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাতে পানিবৃদ্ধি পাওয়ায় ফলে জেলার ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের টেপিবাড়ি এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণের মূল বাঁধ ভেঙে যায়। এতে নতুন করে নদী তীরবর্তী এবং নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছুগ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
এদিকে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ভেঙে যাওয়া অংশ মেরামতে কাজ করছে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিজ্ঞান শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল করিম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “শনিবার সকালে টাঙ্গাইলের অংশে যমুনা নদীর পানি কমলেও, পুংলী, ঝিনাই, বংশাই ও ধলেশ্বরীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৯৪ সে.মি., ধলেশ্বরী নদীর দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন ব্রিজের এখানে বিপদ সীমার ১৪০ সে.মি. এবং ঝিনাই নদীর কালিহাতী উপজেলার যোকারচর এলাকায় বিপদ সীমার ৮৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বাকি দুটি নদী পুংলী ও বংশাই নদী বিপদসীমার নিচে রয়েছে।”


