নিজস্ব প্রতিনিধি ॥
ভেবেছিলেন বিদেশী টাকা থাকলেই মানুষের মন জেতা যায়,টাকা থাকলেই জনপ্রতিনিধি হওয়া যায়। আসলে তিনি বুঝতে পারেননি টাকা দিয়ে মানুষের সম্মান আর ভালোবাসা কেনা যায়না, হওয়া যায়না জনপ্রতিনিধি। বলছি বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোসাদ্দেকুর রহমান মাসুম প্রমাণিকের কথা। বিদেশী কাড়িকাড়ি টাকা উড়িয়ে ভেবেছিলেন উন্নয়নের প্রতীক নৌকা ডুবাবেন। তার সেই আশায় গোড়েবালি। বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এখন ঐক্যবদ্ধ। তাইতো নৌকার পালে হাওয়া লেগেছে। আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সৎ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ গাজী হোসেন আলীকে অকুন্ঠ সমর্থন দিয়েছে বগারচর ইউনিয়নবাসী। হোসেন আলীকেই চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে বগারচরের জনগন। আগামী ৫ জানুয়ারি এই ইউনিয়নে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। আর এই ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন মোসাদ্দেকুর রহমান মাসুম প্রমাণিক। উদ্দেশ্য চেয়ারম্যান হওয়া না উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ। নৌকা ডুবাতেই মরিয়া তিনি। তাই কোন কারন ছাড়াই বিভিন্ন দপ্তরে মনগড়া ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন স্বতন্ত্র এই চেয়ারম্যান প্রার্থী।
এলাকার অনেক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়,স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোসাদ্দেকুর রহমান মাসুমের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। তিনি যে অভিযোগ করছেন তা আসলেই ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে সুষ্ঠ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই মিথ্যা অভিযোগের কৌশল অবলম্বন করছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুম। তারা আরো বলেন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুম প্রতিনিয়তই নির্বাচনী আচরন বিধি লঙ্গন করে চলেছেন। দুপুর দুইটা থেকে নির্বাচনী প্রচারনা চালানোর নিয়ম থাকলেও সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে তার প্রচারনা। এছাড়া মাসুম প্রমানিকের অভিযোগ যে ভিত্তিহীন তা হলো তার নিজের আনারস প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারনা। তিনি বগারচরের বিভিন্ন গ্রামে গনসংযোগ,নির্বাচনী জনসভা,আলোচনা সভা করছেন নিয়মিত। এতেই প্রমানিত হয় তিনি মনগড়া মিথ্যা অভিযোগ করছেন। আসলে তার অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। এমন ডাহা মিথ্যা,বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার কারনে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিও জানান এলাকাবাসী। প্রশাসন দ্রুত তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবে এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।
উল্লেখ্য, বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সৎ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ গাজী হোসেন আলীকে নৌকা প্রতীক দেয়া হয়েছে। হোসেন আলী সাবেক ছাত্রনেতা ও একজন দক্ষ সংগঠক । অত্যান্ত বিনয়ী ও সৎ মানুষ হিসেবে এলাকায় তার সুনাম রয়েছে। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে অবহেলিত বগরাচর ইউনিয়নে উন্নয়ন হবে বলে ধারনা সাধারণ মানুষের। তাই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক গাজী হোসেন আলীর নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ সচেতন ভোটাররা। হোসেন আলীও কথা দিয়েছেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বগারচর ইউনিয়ন বাসীর সেবা করে যাবেন। সরকারি যত বরাদ্ধ আছে তা শতভাগ স্বচ্ছতার সহিত বন্টন করবেন। কোন কাজের বিনিময়ে কাউকে একটি টাকাও খরচ করতে হবে না। ইউনিয়নবাসীকে শতভাগ সেবা দানের প্রত্যায় নিয়েই মাঠে নেমেছেন নৌকার প্রার্থী গাজী মোহাম্মদ হোসেন আলী।
স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রবাসী মাসুমের মনগড়া অভিযোগ


