হারুন-অর-রশিদ দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ব্রহ্মপুত্র নদের গ্রাস হতে নিস্তার পাওয়ার আগেই শুরু হয়েছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী পিআইসি’র আওতাধীন সানন্দবাড়ি বাজারে দক্ষিণ পাশে অবস্থিত উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জিঞ্জিরাম সেতু সহ পঞ্চাশটি বাড়ী বিলিনের পথে। জানা যায়, বিগত কয়েক বছরে বেশ ক’টি বাড়ী নদী গর্ভে পতিত হয়েছে। প্রতি বছরই বন্যার মৌসুমেই এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন নজর কাড়েনি গরীব মানুষের কান্না । গত বছর স্থানীয় সার্ভেয়ার বাহাদুর আলী চরআমখাওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান আকন্দকে জানিয়েছিলেন তার পর, ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম সহ ভাঙ্গন কবলিত স্থান পরিদর্শন করেন চেয়ারম্যান। পরিদর্শন কালে চেয়ারম্যান জিঞ্জিরাম সেতু ভাঙ্গন রোধে কর্মসূচি গ্রহণ করার কথা জানালেও তেমন কোন লাভ হয়নি । গ্রামবাসীরা জানায় ভাঙ্গনের তীব্রতার সময় দফায় দফায় সরকারী লোকেরা দেখে গেলেও সেই পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে, হয়নি কাজ। দেওয়ানগঞ্জ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক রশীদুুল আলম শিকদার জানান- সানন্দবাড়ী জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙ্গণ রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, উত্তরাঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢাকা শহর সহ বিভিন্ন শহরে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম জিঞ্জিরাম সেতু ভেঙ্গে যাবে। সেই সাথে কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ সহ অর্ধশত বাড়ীর মানুষ সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়বে। একই ঘটনায় ভাঙ্গন পাথরের চর ব্রীজের পশ্চিম পাশে ও ঘটছে, সেখানে বিগত পাঁচ বছরে সত্তর আশিটি বাড়ী, বেসরকারী নানান প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ লাইন নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে, এ নদী ভাঙ্গন সমস্যা হতে মুক্তি চয় এলাকার সাধারণ মানুষ। বাহাদুর আলী জানান- এ গ্রামের অসহায় গরীব মানুষ গুলো চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছে, কখন দেখতে পাবে নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যক্রম । জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙ্গন থেকে বাঁচতে চায় এলাকাবাসী।
ভাঙ্গে নদী কান্নায় নিঃস্ব মানুষ, হুমকিতে জিঞ্জিরাম সেতু।


