সুমন ভৌমিকঃ কর্তব্য পালনকালে নিহত পুলিশ সদস্য স্মরণে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২০ উপলক্ষ্যে পহেলা মার্চ রবিবার সকালে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে “চেতনায় অম্লানে” পুস্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। পরে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিষ্টার হারুন অর রশিদ (বিপিএম-সেবা), অতিরিক্ত ডিআইজি ড. আক্কাস উদ্দিন ভূঁঞা, ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামন (পিপিএম-সেবা)।
এছাড়াও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(সার্র্বিক) নিরঞ্জন দেবনাথ, সরকারী আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যক্ষ নারারন চন্দ্র ভৌমিক, এপিবিএন-২ মুক্তাগাছা মো: নাজমুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডঃ জহিরুল খোকা, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড: মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, ময়মনসিংহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
কর্তব্য পালনকালে নিহত পুলিশ সদস্য স্মরণে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২০ উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইডি ব্যারিষ্টার হারুন অর রশিদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(সার্র্বিক) নিরঞ্জন দেবনাথ, ময়মনসিংহ রেঞ্জ অতিরিক্ত ডিআইজি ড. আক্কাস উদ্দিন ভূঁঞা, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, সরকারী আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যক্ষ নারারন চন্দ্র ভৌমিক, এপিবিএন-২ মুক্তাগাছা মো: নাজমুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডঃ জহিরুল খোকা, সাধারণ সম্পাদক এড: মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, ময়মনসিংহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: আনোয়ার হোসেন।
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী।
শ্রদ্ধাঞ্জলি-সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার সভাপতি ব্যারিষ্টার হারুন অর রশিদ বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন। সেই সাথে জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের স্মরণ করেন এবং কর্তব্য পালনকালে নিহত পুলিশ সদস্যদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আহবানে সাড়া দিয়ে ১৪ হাজার পুলিশ সদস্য মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রাজারবাগে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলে পুলিশ। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে অস্ত্র তুলে দেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে সর্বপ্রথম বুলেট বিদ্ধ হয় পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। সর্বপ্রথম শহীদ হন এই পুলিশ সদস্যরা। মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ সদস্যরা জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষনাকে সামনে রেখে পুলিশ সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ব্যারিষ্টার হারুন অর রশিদ কর্তব্য পালনকালে নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
পরে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত ৬৫ জন পুলিশ পরিবারকে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা উপহার ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।


