জেলায় এ বছর ৫০ হেক্টর জমিতে কাউন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।
কাউন চাষের প্রতি গুরুত্বারোপ করে কৃষি কর্মকর্তা শামীম ইকবাল বলেন, ‘কাউন চাষে জমির উর্বরা শক্তি বাড়ে এবং কাউন গাছ থেকে জমির ভাল সার তৈরি হয়।’
কাউন চাষ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে স্থানীয় কৃষকরা জানান, এ জেলায় আর আগের মতো আর কাউন চাষ হচ্ছে না। বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি চাষ ও কৃষিতে অধিক ফলন কাউন চাষের প্রয়োজনীয়তা কৃষকদের নিরুৎসাহিত করেছে।
তারা বলেন, কাউন চাষের আবেদন দু’দশক আগেও ছিল। আগে দরিদ্র জনগোষ্ঠির প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কাউনের ভাত থাকতো। সময়ের পরিবর্তন ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ কাউনের চাষকে পেছনে ফেলে নিয়ে এসেছে বছরে তিন-চার ফসলী উৎপাদন।এখন প্রতেকে বোরো ধানের চাষ করছে, তাই আর ভাতের অভাব নেই। তবে কৃষকরা মনে করেন, নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিতি ধরে রাখতে কাউন চাষের প্রতি গূরুত্ব দেয়া দরকার।
এখনও কিছু কিছু কৃষক ছোট পরিসরে কাউন চাষ টিকিয়ে রেখেছেন উল্লেখ করে কৃষি কর্মকর্তা শামীম ইকবাল বলেন, কাউন চাষের কিছু উপকারিতাও রয়েছে। কাউনের চালের পায়েস খেতে ভাল লাগে। তাই লোকজন এখন পায়েস খাওয়ার জন্য শখ করে কাউনের চাল কিনে।এছাড়া কাউন গাছ জমিতে পচে ভাল সার তৈরী হয়।এতে জমির উর্বরা শক্তি বাড়ে।
পঞ্চগড়ে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে কাউন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ


