সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগের বাতিঘর বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক ও সকলের শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি। তার হাত ধরে অনেকেই এসেছেন আওয়ামী লীগে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অনেকেই আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে। আর সেই বাতিঘরে জন্ম নিয়েছেন মোহিত উর রহমান শান্ত। রাজনীতি পরিবারের সদস্য হিসেবে ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির বলয়ে মানুষ হয়েছেন।
খুবই বিনয়ী ও ভদ্র প্রকৃতির মানুষ তিনি। খুব স্বল্প সময়ে সকল বয়সী মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন এই তরুন নেতা। তারই মাঝেই আগামী দিনের নেতৃত্ব খুঁজে পাচ্ছেন প্রবীণ নেতারা। মেধা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও যোগ্যতার কারণে তিনি আজ বড় মাপের নেতা হয়েছেন। ময়মনসিংহের সাধারন জনগণ মোহিত উর রহমান শান্তকে উজ্বল নক্ষত্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী আদর্শের অগ্রসৈনিক শান্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সর্বদা বুকে ধারন ও লালন করে চলেছেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী আপোষহীন আর ন্যায়ের পক্ষে লড়াকু সৈনিক। তার ডাকে ময়মনসিংহের মাটিতে নেতা-কর্মীদের মাঝে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়। কখনো কখনো বাঁধ ভাঙ্গা গণজোয়ারও হয়।তিনি কর্মীদের মন জয় করে নিয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের কর্নধার হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন। যার নামের পাশে ময়মনসিংহে লালন করে আগামী দিনের উন্নয়নের স্বপ্ন।
ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সফল ও জনপ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন তিনি। বিগত বিএনপি জোট সরকারের আমলে দুঃসময়ের কারানির্যাতিত নেতা শান্ত ত্যাগ ও পরীক্ষার মাধ্যমে দলের প্রতি তার আনুগত্য, অকুণ্ঠ ভালোবাসা এবং বিশ্বস্ততার জানান দিয়েছেন অনেক আগেই। বিগত সরকার বিরোধী আমলে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আসামি হয়ে নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে গিয়ে বহুবার রোষানলে পড়েন তিনি। কর্মীদের ভালবাসা ও আস্থার জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। প্রতিপক্ষ মহল এই নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালিয়ে তার রাজনীতির অগ্রগতি থামাতে পারেনি।
সাবেক ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এর সুযোগ্য রাজনৈতিক উত্তরাধিকার মোহিত উর রহমান শান্ত জনগণের কাছে সমাদৃত। তার সাংগঠনিক, রাজনৈতিক ও মানবিক ভূমিকার জন্য জনগণ তাকে ভালবাসেন। ময়মনসিংহের সাধারণ জনগণ, আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা মোহিত উর রহমান শান্তকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রেখেছেন।
’


