সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সাধারণ জাল ছেড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি- মারামারি ও ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটেছে।
গত সোমবার বিকেলে সরিষাবাড়ী থানার কামরাবাদ গ্রাম ও ভাটারা ইউনিয়নের মাগুরিয়া গ্রামের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
কামরাবাদ ও মাগুরিয়াপাড়া গ্রামের মধ্যে বয়ে যাওয়া ঝিনাই নদটি পানি কমে যাওয়ায় নৌকা যাতায়াতের খুবই সমস্যা হয়। সেই নদীতে মাগুরিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সোহরাব মিয়া শিপজাল পেতে রাখলে ১টি ক্ষের ভর্তি সেলো নৌকা সেই জাল ছিড়ে ভাটির দিক চলে যায়। সোহরাব মিয়া জাল ছেড়া দেখে ঘন্টা খানেকপর সন্দেহজনকভাবে ১ টি নৌকা আটকায় এবং তার কাছে জরিমানা দাবী করে। লোকটি জাল ছেড়ার কথা অস্বিকার করলে তার সাথে তুমুল ঝগড়া শুরু হয় এবং নৌকাওলাকে টেনে নামানো হয়। নদীর বিপরীত পাশে অবস্থিত কামরাবাদ গ্রামের অা: রহিমের ছেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নৌকাওলার পক্ষে কথা বলেন।
এ সময় রাগের মাথায় সোহরাব মিয়া নৌকাওলাকে ছেড়ে সোহলকে থাপ্পড় দিলে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি মারামারি হয়। পরে সোহেল চিৎকার দিলে কামরাবাদ থেকে আনুমানিক ৪০-৫০ জন সেলো মেশিন দিয়ে পাড় হয়ে ধর ধর বলে চিৎকার করলে সোহরাব সহ তার ছেলে ভাই বাড়ী ত্যাগ করেন । পরে সোহেলের দল ওদের বাড়ী না পেয়ে তাদের টিনের বেড়ায় , ১টি দোকানের বেড়ায় ও রাস্তায় থাকা ১টি নৌকায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে বেশ ক্ষতিসাধন করে।
পরে আ: রহিমের বড় ছেলে জুয়েল কে প্রধান আস্বামী করে ১২ জনের বিরুদ্বে সোরাব মিয়া বাদী হয়ে ১টি অভিযোগ করেন । অথচ খোজ নিয়ে জানা যায় জুয়েল ঘটনা স্থলে ছিল না । সে পৌরসভার সামনে ১টি দোকানে কর্মরত ছিল।
এ ব্যাপারে জুয়েল বলে আমি পৌরসভার সামনে সারাদিন কাজ করেছি । সন্ধ্যায় মারামারির ঘটনা শুনেছি কিন্তু আমার শত্রুরা আমাকে চক্রান্ত করে প্রধান আস্বামী করেছেন।
১ ঘটনায় আরও দুজনকে আস্বামী করা হয়েছে যাদের ১জন শশুর বাড়ী ও ১জন ঢাকায় ছিল। এ ব্যাপারে সোহরাব কে প্রশ্ন করলে সে জানায় জুয়েল ও বাকি দুজনকে তারা অন্যের কাছে শুনে আস্বামী করেন। তার নাম জানতে চাইলে সোহরাব নাম প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।
এ ঘটনায় উভয় গ্রামের মধ্যে এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে ।


