চীফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহের ১২টি ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল বন্যার পানিতে ডুবে সয়লাভ। এসব মানুষের পাশে এসে দাড়ালো বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি।
‘সরকারের নানামুখী অত্যাচারে আমরা জর্জরিত, তবুও জনগনের পাশে থেকে তাদের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি, ময়মনসিংহের ১২টি ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা এখন পানিতে নিমজ্জিত, এখানে নেই কোন প্রকার খাদ্য, কারোরি মাথা গুজার ঠাঁই নেই, নেই সুচিকিৎসার বন্দোবস্ত, সরকারি ত্রান ব্যবস্থা অপ্রতুল, তবুও আপনারা পথ চেয়ে থাকেন সরকারি সাহায্যের জন্য, কিন্তু কতটুকু সাহায্য পেয়েছেন সেটা আপনারাই ভালো বলতে পারবেন’আজ ৩০ জুলাই মঙ্গলবার ত্রান বিতরণ অনুষ্ঠানে কথাগুলো বলেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় ত্রান কমিটির আহ্বায়ক ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ।
তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের দল বলেই দুর্যোগ দুর্বিপাকে সবসময় জনগণের পাশে থাকে। বর্তমান সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত নয় বলেই তারা বন্যার সময় জনগণের পাশে নেই। কিন্তু জনগনের দল বিএনপি জনগনের পাশে আছে, থাকবে।
তিনি আজ ৩০ জুলাই ময়মনসিংহের বুরোর চর এলাকায়। বন্যায় আক্রান্ত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন কর্মসুচিতে নেতৃত্ব দেন ।
তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তত্বাবধানে সারা দেশে বিএনপি ত্রান কার্যক্রম চালাচ্ছে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ দ: জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম।
এসময় স্থানীয় জনসাধারনের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় ত্রান টিমের প্রধান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা.এজেডএম জাহিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ওয়ারেস আলী মামুন, ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর মাহমুদ আলম।
ত্রান কার্যক্রম পরিচালনা করেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক কাজী রানা।
নেতৃবৃন্দ আজ সকালে ময়মনসিংহ কাচারী ঘাট থেকে ট্রলার যোগে রওনা হয়ে বুরোরচর এলাকার পয়েস্তি মধুমারী , মৃধাপাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন করেন।
এসময় জেলা ছাত্রদল সভাপতি মাহবুবুর রহমান রানা, সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাবু চৌধুরী,সহ-সভাপতি সিজার ও মহানগর ছাত্রদল সভাপতি নাঈমুল করিম লুইন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহম্মেদ রবিন’সহ ময়মনসিংহ দ: জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


