নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ময়মনসিংহে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের তিন শতাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। মানুষজন খুব সমস্যায় পড়ে গেছে আকস্মিক এই ভাঙ্গনে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ।
দেশব্যাপী বন্যায় আক্রান্ত হলেও এই অঞ্চলের দীর্ঘদিন পড়ে আকস্মিক বাঁধের প্রায় ত্রিশ মিটার অংশ জুড়ে ভাঙনের শুরু হলে ।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন কর্মকর্তার মতে’, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বেড়ে যাওয়ায় ।
তিনি জানান, বাঁধ ভাঙনের ফলে সদরের চর গোবিন্দপুর, চর জেলাখানা, দূর্গাপুর, বারের চর ও চরসিরতা ইউনিয়নের প্রায় তিন শতাধিক বাড়িঘর ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।
এতে, পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার মানুষ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত’রা বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে জীবন-যাপন করছে ।
ভঙ্গন আক্রান্ত এসব এসব গ্রামগুলোয় দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের সঙ্কট।
স্থানীয় প্রশাসন বাঁধটি সংস্কারে উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম শফিকুল ইসলাম বাঁধ মেরামতের কাজ তদারকি করছেন। ১৮ বছর আগে ব্রহ্মপুত্র নদের পশ্চিম তীরে ২৩ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে আর বড় ধরনের কোনো বন্যা না হওয়ায় বাঁধ সংস্কারে তৎপরতা ছিল না। বিশ বছরের ব্যবধানে এবারের বন্যায় পানি বৃদ্ধির পরিমাণ রেকর্ড ছাড়িয়েছে ফলে বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। প্রশাসনের উদ্দ্যেগে বাঁধ সংস্কারে চার হাজারের মতো জিও ব্যাগ প্রস্তুত করা হচ্ছে । প্রয়োজনে আরো জিও ব্যাগ লাগলে সে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে ।


