আব্দুর রহমান, নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকা সত্বেও মামলায় জড়িয়ে হয়রানীর করার প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের জোর দাবী জানিয়েছেন কেন্দুয়া উপজেলা যুবলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান ভূইয়া শামীম।
তিনি নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বরাবরে লিখিত এক আবেদনে উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ময়মনসিংহ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন।
গত ২৮ জুন তিনি কেন্দুয়ার টেঙ্গুরী ছয়আনী গ্রামের বাড়িতে ছিলেন না। অথচ কেন্দুয়া থানার এস আই আবুল বাশার ২৮ জুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দুয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও পাবলিক পরীক্ষা অপরাধ আইনে দায়েরকৃত ৪০ নং মামলায় আমাকে ৩৪ নম্বর আসামী হিসেবে অভিযুক্ত করে।
মামলার এজাহারে বাদী ঘটনার তারিখ ও সময় ১৮ জুন সকাল ১০.৫০ ঘটিকায় উল্লেখ করলেও মামলার বিবরনীতে ১০.৩০ ঘটিকায় ঘটনাস্থলে পৌছে ৩২ জনকে প্রশ্নপত্র ফাঁস চত্রের সাথে জড়িত থাকায় আটক করতে সক্ষম হলেও আমিসহ অন্যান্য আসামীরা দৌঁড়ে পালিয়ে গেছি বলে উল্লেখ করেছে। অথচ ঐ দিন আমি ময়মনসিংহের নিজ বাসায় ছিলাম। আমার মায়ের মোবাইল ফোন পেয়ে আমি ঘটনাটি জানার জন্য ১১.০৯.১৬ ঘটিকায় কেন্দুয়া থানার ওসিকে ফোন করি।
তিনি আবেদনে আরো উল্লেখ করেন, মামলাটি যেহেতু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা হয়েছে, সেহেতু আমি ঘটনার সময় কোথায় এবং কোন টাওয়ারের বলয়ে অবস্থান করছিলাম এবং কার কার সাথে কথা বলছিলাম তা নির্ধারণ করার জন্য বর্তমান সরকারের আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সহজেই সনাক্ত করা সম্ভব।
আমি সাংবাদিক বন্ধুদের মাধ্যমে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানীর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।


