18 C
Munich
Tuesday, May 26, 2026

মুক্তাগাছা পুলিশের আইন প্রয়োগ নয়ঃ অপরাধ কমাতেই নিচ্ছে অভিযোগ

Must read

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহঃ ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার কর্তাসহ কতিপয় পুলিশের সাথে মাদক ব্যবসায়ী, ডলার প্রতারক দলের নেতা, জুয়ার ভিডারদের সাথে রমরমা খাতির রেখে দেদারছে অর্থ কামিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও নির্যাতিত বা সমস্যাগ্রস্ত কেউ থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করলে তা যেন পকেট কেইস হয়ে দুপক্ষের কাছ থেকে পুলিশ অর্থ কামিয়ে নেয় বলে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সাধারন মানুষ ন্যয় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেকে মন্তব্য করেছেন মুক্তাগাছা থানা এখন টাকার হাট!
মুক্তাপাছা থানার হাজত রেজিষ্টারে দেখা যায়, গত জুলাই মাস থেকে আগষ্ট মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৭০ জনের অধিক লোকদের পুলিশ আটক করেছিলেন।
এদের কারো নাম হাজত রেজিষ্টারে তুলা হয়েছে আবার কারো কারো নাম তুলা হয়নি। এদের মধ্যে মাত্র প্রায় ৩৫ জনকে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে। এর পরিসংখ্যান থানা থেকে নিতে চাইলে তারা বিষয়টি গোপনীয় বলে সঠিক তথ্য দেননি।
অনেকে জানিয়েছে গত তিন মাস ধরে মুক্তাগাছা থানা পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্য চলছে। মুক্তাগাছা থানা আইনী সহায়তা চাইতে গিয়ে অনেকে উল্টো হয়রানির শিকার হচ্ছে।
থানার অফিসার ইনর্চাজ আলী মাহমুদ অভিযোগ নিয়ে তদন্তকারী অফিসার নিয়োগ দেন। সেই অফিসার দিয়ে আসামী পক্ষকে থানায় ডাকিয়ে এনে দফারফা করে আরেকটি অভিযোগ নেন। পরে শুরু করেন বিচার প্রার্থীকে শায়েস্থা করার পালা। এমন ঘটনা রয়েছে বহু।
ওসির মূল হস্ত নাকি এস আই রফিক। তিনি থানার সেকেন্ড অফিসার হিসেবে পরিচিত। রফিকের সাথেই মাদক ব্যবসায়ী, জুয়ার ভিডার, ডলার প্রতারক চক্রের সাথেই রমরমা খাতির। ডজন ডজন মামলার আসামী রাসেল তাদের টাকার গাছ। ওরারেন্ট মাথায় নিয়ে মাঝে মাঝে তাদের ফোনালাপ ও টাকা লেনদেন হয়। রাসেল জুয়ার বোর্ড চালায় , নিজে ও লোক দিয়ে করায় মাদক ব্যবসা। ডলার প্রতারক চক্রের নিয়ন্ত্রকও সে। অথচ পুলিশ তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নেয়না।
চেচুয়া বাজার, কালিবাড়ি বাজার, রোওয়ার চর, সত্রাসিয়া , মুক্তাগাছা শহরের তিনটি স্থানে জুয়ার আসর বসে। মুক্তাগাছা থানা এলাকায় রয়েছে শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী।
অভিযোগ রয়েছে সবাই নাকি পুলিশের সাথে মাসোহারা ভুক্ত। এস আই রফিক নাকি এগুলোর টাকা আদায়ের দায়িত্বে আছেন। অফিসার ইনচার্জ আলী মাহমুদ ও এস আই রফিক পকেট মামলায় কামিয়ে নেন মাসে কয়েক লাখ টাকা। তবে পুলিশ এ অভিযোগ স্বীকার করতে চায়না। মুক্তাগাছা দাও কলাদিয়া গ্রামের আনিসুর রহমান নিজ ও পার্শবর্তী এলাকার ৭ আগষ্ট সন্ত্রাসী কর্তৃক নির্যাতিত হন। আহত আনিস স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন অথচ পুলিশ কোন ব্যবস্থাই নেয়নি। মামলা নেয়ার জন্য আনিস বারবার যখন তাগিত দিলেন তখন আনিসের বিরুদ্ধে আসামীদের কাছ থেকে অভিযোগ নিয়ে উল্টো হয়রানি শুরু করলো পুলিশ।
কুড়িপাড়া গ্রামের সৈয়দ আলী এক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনিও বেকায়দায় পড়েছেন। এখন তার হাফেজ পুত্র নাকি মাদক ব্যবসায়ী। মুক্তাগাছার অনেকেই বলেছে, মুক্তাগাছার পুলিশ পারেনা এমন কোন কাজ নেই! অনুসন্ধানেও তাই বেড়িয়ে এসেছে।
- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

Latest article