সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহের ডিবি পুলিশের একটি টিম ৫/০৮/১৯ইং তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে কোতোয়ালী থানার চরপুলিয়ামারী এলাকায় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারী অবস্থান করছে। সেই সূত্র ধরে ডিবি পুলিশ ওই দিনই দিবাগত রাত ১২টা ২৫মিনিটে মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীদের ধরতে গেলে, তারা ডিবি পুলিশকে লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি ও ঢিল ছোড়তে থাকে। এতে ডিবি’র এসআই(নিঃ) মোঃ আক্রাম হোসেন ও কনস্টেবল মতিউর রহমান আহত হয়। পুলিশ সরকারী সম্পদ ও আত্নরক্ষার্থে শর্টগানের ১৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। সে সময় মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীরা গুলি ছোড়তে ছোড়তে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল হতে মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারী কোতোয়ালী থানার পাটগুদামের বাসিন্দা মোঃ জয়নাল আবেদীন এর ছেলে মোঃ জনি মিয়া (২৬) কে আহত অবস্থায় ডিবি পুলিশ দিবাগত রাত ১২টা ৪৫মিনিটে গ্রেফতার করে। এ সময় আহত জনি’র কাছ থেকে ২ শত গ্রাম হেরোইন ও ১টি ষ্টিলের চাকু উদ্ধার হয়।পলাতক মাদক ব্যবসায়ীদের ছোড়া গুলিতে আহত মাদক ব্যবসায়ী জনিকে কোতোয়ালী থানা পুলিশের সহায়তায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করা হলে, কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। বিগতদিনে তার বিরুদ্ধে ৩টি মাদকের মামলা সহ একাধিক মামলা রয়েছে।
মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাকারী জনি’র বিরুদ্ধে মামলা গুলো হলো- ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-২৮(০৯)১৭ ২, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-১৩১(৫)১৭ ৩, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৪৯ (১২)১৬ ৪, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৩৫(৬)১৫ ৫, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-১৯(৩)১৩ ৬, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-১১(৬)১৩ ৭, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৩৭(১২)১২ ৮, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৩৩(১২)১২ ৯, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-১(২)১১ ১০, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৭৩(৭)১০ ১১, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৬১(৪)১০ ইত্যাদি।


