সুমন ভৌমিকঃ পুলিশ সুপার শাহ্ আবিদ হোসেন বিপিএম বলেছেন, ময়মনসিংহ জেলায় কোরবানীর হাটে পশু ক্রয় বিক্রয়ে আসা নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এক্ষেত্রে পুলিশ বাহিনী সব সময় পাশে থাকবে। তিনি বলেন, ক্রেতারা যাতে কোন ধরণের হয়রানীর শিকার না হন সেদিকে ইজাদারদের খেয়াল রাখতে হবে।
স্থানীয় ইজারাদারদের সাথে মতবিনিময়কালে পশুরহাটে জাল টাকা প্রতিরোধ ও ক্রেতা বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপর জোর দেন পুলিশ সুপার।
এছাড়াও ঈদুল আযহায় ঘরমুখি মানুষের যাত্রা নিরাপদ, হয়রানী ও যানজটমুক্ত করতে ময়মনসিংহে পরিবহন মালিক এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ লাইন্স হলরুমে পৃথক মতবিনিময় সভা হয়। এ সময় পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন যানজটমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখাসহ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
শনিবার পুলিশ লাইন্স হল রুমে পশুর হাটের ইজারাদারদের সাথে মতবিনিময় করেন পুলিশ সুপার শাহ্ আবিদ হোসেন বিপিএম। জেলায় এবার ১৪টি উপজেলায় ২৩৯টি কোরবানীর পশুর হাট বসবে। তন্মধ্যে স্থায়ী ১৩৫ ও অস্থায়ী ১০৪টি হাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির, জয়িতা শিল্পীসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইজারাদারদের এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা বিবেচনায় পুলিশ সুপার শাহ্ আবিদ হোসেন বিপিএম চাঁদাবাজদের কঠোর হাতে দমনের নির্দেশ দেন। পশুর হাটের কারনে রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম যাতে না হয় সে জন্য যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান এসপি।
পুলিশ সুপার বলেন, এ বছর প্রতিটি পশুর হাটে তিনস্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রতিটি হাটা-বাজার কেন্দ্রিক স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়োজিত রাখা হবে। যাতে করে ইজারাদার, ব্যবসায়ি, জনসাধারণ কোন সমস্যায় না পড়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।
জেলার সদর উপজেলায় ২০, মুক্তাগাছা ১৬, ফুলবাড়ীয়া ৯, ত্রিশাল ২৫, ভালুকা ১৬, গফরগাঁও ১২, পাগলা ১৩, গৌরীপুর ১৪, ঈশ্বরগঞ্জ ১৪, নান্দাইল ৫২, ফুলপুর ১২, হালুয়াঘাট ৯, ধোবাউরা ৮, তারাকান্দা ১৯টি কোরবানীর পশুর হাট বসবে।


